স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ৩টি লটে ৯ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল (৫০ কেজি বস্তায়) ক্রয়ের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একটি প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রীপরিষদ কমিটি। এতে ব্যয় হবে ৭২ কোটি ৫৩ লক্ষ ১০ হাজার টাকা।
স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ৩টি লটে ৯ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল (৫০ কেজি বস্তায়) ক্রয়ের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একটি প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রীপরিষদ কমিটি। এতে ব্যয় হবে ৭২ কোটি ৫৩ লক্ষ ১০ হাজার টাকা।
রোজায় দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার আগে সেহরির খাবার হতে হবে পুষ্টিকর, সহজপাচ্য এবং তৃপ্তিদায়ক।
বাঙালির খাবার পাতে আর যাই হোক ডাল থাকেই। ডাল দিয়ে হরেকরকম তরকারিও রান্না হয়। তবে রোজকার টেবিলে থাকা পাতলা ডাল বলতে মসুর ডালকেই বোঝানো হয়। এই ডালই খাওয়া হয় বেশি। কারণ এটি সুস্বাদু ও সহজলভ্য। এছাড়া মসুর ডালে প্রোটিনের মাত্রা বেশি এবং এটি অধিকাংশের কাছে সহজপাচ্য।
স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র (জাতীয়) পদ্ধতিতে ৭২.৩৫ টাকা কেজি দরে ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল (৫০ কেজির বস্তায়) ক্রয় প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে ৭২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।
হেঁশেলের রান্নার ঘ্রাণই বলে দিচ্ছে দরজায় কড়া নাড়ছে শীত। বাজারে উঠেছে জলপাই; ডাল ও তরকারিতে যোগ হয়েছে নতুন স্বাদ।
স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে টিসিবির জন্য এক কোটি ১০ লাখ লিটার পরিশোধিত রাইস ব্রান তেল এবং ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল কিনবে সরকার।
মসুর ডাল না হলে ভাত খেতে পারেন না, আমাদের দেশে এমন মানুষের সংখ্যা অনেক। শুধু আমাদের দেশেই নয়, গোটা পৃথিবীজুড়েই এটি খুব জনপ্রিয় একটি খাবার। মসুর ডাল দিয়ে তৈরি করা হয় নানা রকমের পুষ্টিকর ও মুখরোচক খাবার। যেমন- ডালের চচ্চড়ি, ডালনা, নিরামিষ, পিঁয়াজু, ডালপুরি, ডালের স্যুপ, আম ডাল, পুঁই ডাল ইত্যাদি।
ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) জন্য আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ১৬০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল ও আট হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকার।
সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি আজ সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ১২৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল এবং ৫ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডালসহ ১৬টি ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। অর্থমন্ত্রী আহম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয।